ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার পুরোনো পল্টনে গুলি করে হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা ও তদন্তে জানা গেছে যে হত্যায় ১৭ জন জড়িত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন মূল আসামিসহ পাঁচজন।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
এখন পর্যন্ত কতজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল বলেন, আমরা ১৭ জনের নামে চার্জশিট দিয়েছি। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।
যে আ.লীগ নেতার নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে
পলাতকরা হলেন- হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ, তার মোটরসাইকেলের চালক আলমগীর শেখ, তাদের পালাতে সহায়তা করা মানবপাচারকারী ফিলিপ স্নাল, হত্যার নির্দেশদাতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী ও ফয়সালের বোন জেসমিন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সার্বিক তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, অস্ত্র ও গুলির ফরেনসিক প্রতিবেদন এবং মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন অনুসারে আসামিদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ভবিষ্যতে এ মামলায় আরও কোনো তথ্যপ্রমাণ বা কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।