<
section style="box-sizing: border-box; border: 0px solid #e5e7eb; --tw-border-spacing-x: 0; --tw-border-spacing-y: 0; --tw-translate-x: 0; --tw-translate-y: 0; --tw-rotate: 0; --tw-skew-x: 0; --tw-skew-y: 0; --tw-scale-x: 1; --tw-scale-y: 1; --tw-scroll-snap-strictness: proximity; --tw-ring-offset-width: 0px; --tw-ring-offset-color: #fff; --tw-ring-color: rgba(59,130,246,.5); --tw-ring-offset-shadow: 0 0 #0000; --tw-ring-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow-colored: 0 0 #0000; color: #000000; font-family: __amdFont_821962, __amdFont_Fallback_821962; font-size: medium; font-style: normal; font-variant-ligatures: normal; font-variant-caps: normal; font-weight: 400; letter-spacing: normal; orphans: 2; text-align: start; text-indent: 0px; text-transform: none; widows: 2; word-spacing: 0px; -webkit-text-stroke-width: 0px; white-space: normal; background-color: #ffffff; text-decoration-thickness: initial; text-decoration-style: initial; text-decoration-color: initial;">
<
div class="text-lg lg:text-[19px] leading-[1.7] text-[#000000] mb-8 story-details" style="box-sizing: border-box; border: 0px solid #e5e7eb; --tw-border-spacing-x: 0; --tw-border-spacing-y: 0; --tw-translate-x: 0; --tw-translate-y: 0; --tw-rotate: 0; --tw-skew-x: 0; --tw-skew-y: 0; --tw-scale-x: 1; --tw-scale-y: 1; --tw-scroll-snap-strictness: proximity; --tw-ring-offset-width: 0px; --tw-ring-offset-color: #fff; --tw-ring-color: rgba(59,130,246,.5); --tw-ring-offset-shadow: 0 0 #0000; --tw-ring-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow-colored: 0 0 #0000; margin-bottom: 2rem; font-size: 1.125rem; line-height: 1.7; --tw-text-opacity: 1; color: #000000;">
<
div style="box-sizing: border-box; border: 0px solid #e5e7eb; --tw-border-spacing-x: 0; --tw-border-spacing-y: 0; --tw-translate-x: 0; --tw-translate-y: 0; --tw-rotate: 0; --tw-skew-x: 0; --tw-skew-y: 0; --tw-scale-x: 1; --tw-scale-y: 1; --tw-scroll-snap-strictness: proximity; --tw-ring-offset-width: 0px; --tw-ring-offset-color: #fff; --tw-ring-color: rgba(59,130,246,.5); --tw-ring-offset-shadow: 0 0 #0000; --tw-ring-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow-colored: 0 0 #0000;">
<
div class="block-full_richtext" style="box-sizing: border-box; border: 0px solid #e5e7eb; --tw-border-spacing-x: 0; --tw-border-spacing-y: 0; --tw-translate-x: 0; --tw-translate-y: 0; --tw-rotate: 0; --tw-skew-x: 0; --tw-skew-y: 0; --tw-scale-x: 1; --tw-scale-y: 1; --tw-scroll-snap-strictness: proximity; --tw-ring-offset-width: 0px; --tw-ring-offset-color: #fff; --tw-ring-color: rgba(59,130,246,.5); --tw-ring-offset-shadow: 0 0 #0000; --tw-ring-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow-colored: 0 0 #0000; text-align: justify;">
মাত্র কদিন আগে নির্বাচিত সরকারের প্রথম দুই মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। এ উপলক্ষে সরকারের তরফ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক মুখপাত্র বিএনপি সরকারের প্রথম ৬০ দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়কালে যে ৬০টি সফলতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে মাত্রাতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর বিষয়টিও স্থান পেয়েছিল।
একেবারে সংবাদ সম্মেলনের দিনেই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা না এলেই হয়তো সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ভালো ছিল। উল্লেখ্য, সপ্তাহ খানেক আগে খোদ জ্বালানিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, অন্তত এপ্রিল মাসে তেলের দাম বাড়বে না। তিনি বলেছিলেন, মে মাসে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তারপর দাম বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রী মহোদয় তার কথা রাখেননি কিংবা সম্ভবত আইএমএফের চাপে রাখতে পারেননি।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানো এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের জনতুষ্টিমূলক একাধিক প্রকল্প নিয়ে অসন্তুষ্টির কারণেই আইএমএফ ঋণের কিস্তির অর্থছাড়ে অসম্মতি জানিয়েছে। তারা বাজেটে ভর্তুকির আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে আপত্তির বিষয়টি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে উত্থাপন করেছিলেন বলে শুনেছি। অর্থমন্ত্রী যদিও দাবি করেছেন, তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই; কিন্তু জনগণ এসব ব্যাপারে কোনো খোঁজখবর রাখে না মন্ত্রী মহোদয়ের এমন ধারণা না করাটাই উত্তম। ওয়াশিংটনের ব্যর্থ বৈঠক শেষে দেশে ফিরে তিনি স্বীকার করেছেন যে, সরকারের সঙ্গে কিছু বিষয়ে আইএমএফের মতবিরোধ রয়েছে। যাহোক, সীমিত আয়ের আমজনতা জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ার জন্য ভয়ে ভয়ে অপেক্ষা করছে।
সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের কার্ডপ্রাপ্তির মাধ্যমে কতজন নাগরিক এখন পর্যন্ত উপকৃত হয়েছেন আমার ঠিক জানা নেই। কিন্তু জ্বালানি তেল এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বোঝা প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে দেশের প্রতিটি নাগরিককে বহন করতে হবে। তদুপরি মন্ত্রীরা লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ানোটাকে ‘সামান্য মূল্যবৃদ্ধি’ হিসেবে অভিহিত করায় জনগণ অধিকতর আতঙ্কিত হয়েছে। লিটারে কত টাকা দাম বাড়লে মন্ত্রীদের বিবেচনায় সেটা আর সামান্য থাকবে না, তা আমাদের জানা নেই। তেলের দাম বাড়ার প্রতিক্রিয়ায় ইতোমধ্যে বাস এবং অন্যান্য গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধিরও দাবি উঠেছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের সংসার চালানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। আরো পরিতাপের বিষয় হলো, ক্রেতারা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করা সত্ত্বেও পেট্রোল পাম্পে চাহিদামতো জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার কারণে হয়রানির অবসান আজ পর্যন্ত হয়নি। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, নতুন সরকারের সঙ্গে জনগণের মধুচন্দ্রিমায় হঠাৎ খানিকটা যেন ছন্দপতন ঘটে গেছে।
২০০১ সালের পর বাংলাদেশের জনগণকে গণতান্ত্রিকভাবে পছন্দের সরকার নির্বাচনের সুযোগ পেতে ২৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ বছর ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। স্বাভাবিকভাবেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমা উপভোগে জনগণের তরফ থেকে উৎসাহের কোনো কমতি ছিল না। তারা সরকারের ভুলগুলোকে উপেক্ষা করে সাফল্যের প্রশংসা করেছে। দুর্বল স্মরণ শক্তির, অকৃতজ্ঞ বাঙালি মুসলমান জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম দুই মাসের পরিস্থিতির কথা বেমালুম ভুলে গেছে বলেই আমার ধারণা। শেখ হাসিনার দিল্লিতে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পুলিশের একটা বড় অংশ ফ্যাসিস্ট আমলের ১৫ বছরের অপকর্মের মানসিক চাপ সইতে না পেরে এবং অপরাধের সম্ভাব্য বিচারের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিল।
<
p style="box-sizing: border-box; border: 0px solid #e5e7eb; --tw-border-spacing-x: 0; --tw-border-spacing-y: 0; --tw-translate-x: 0; --tw-translate-y: 0; --tw-rotate: 0; --tw-skew-x: 0; --tw-skew-y: 0; --tw-scale-x: 1; --tw-scale-y: 1; --tw-scroll-snap-strictness: proximity; --tw-ring-offset-width: 0px; --tw-ring-offset-color: #fff; --tw-ring-color: rgba(59,130,246,.5); --tw-ring-offset-shadow: 0 0 #0000; --tw-ring-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow: 0 0 #0000; --tw-shadow-colored: 0 0 #0000; margin: 16px 0px;" data-block-key="3qi6d">সে সময় ঢাকায় মাত্র কয়েকটি থানায় ভাঙাচোরা চেয়ারটেবিলে বসে প্রয়োজনের অর্ধেক জনবল নিয়ে পুলিশের লোকজন কোনোক্রমে কাজ চালিয়ে নেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন। রাজধানী এবং অন্যত্র অধিকাংশ থানা তখন পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশও না থাকায় কিশোর বয়সের ছাত্রছাত্রীদের রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছিল। অপরদিকে সুযোগ বুঝে কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী ড. ইউনূসের সরকারকে অকার্যকর করে ফেলার উদ্দেশ্যে প্রায় প্রতিদিন কোনো না কোনো উদ্ভট দাবি নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে বসে থাকত। অরাজকতার ক্যানসার এতটাই বিস্তার লাভ করেছিল যে, আনসারের মধ্যকার আওয়ামী দালাল গোষ্ঠী সচিবালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সেখানে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুপস্থিতিতে জুলাই বিপ্লবের নেতাদের অন্যতম, বর্তমানে এনসিপিদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদের নিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছিল%E